ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ , ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিমানের দাম্মাম ও রিয়াদগামী সব ফ্লাইট ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত উন্মুক্ত হলো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, কর্মী নিয়োগের ঘোষণা পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ই-পার্লামেন্ট বিষয়ক প্রকল্প বাস্তবায়নে ১০ সদস্যের কমিটি কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি বিমানবন্দর-কমলাপুর মেট্রোরেলের প্যাকেজ-৩-এর ইউটিলিটি স্থানান্তর শুরু এ মাসেই স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী উত্তরায় ফের পোশাকশ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেশের জন্য কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো কোনো বিশেষ কিছু করার পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাজীপুরে ওষুধ কারাখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়ছে, আরও সহায়তা আসা উচিত: অর্থমন্ত্রী দুর্গাপূজায় ৫ ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ বাতিল নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১২ ইউনিট ডেঙ্গুতে আরও ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৫৪ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কোনো কলঙ্ক নিতে চায় না সরকার: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতির সাথে একমত বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ব্যবস্থা নেবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে হেনস্তার শিকার ড. ইউনূস

ইরান যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব নাকচ করল মার্কিন সিনেট

  • আপলোড সময় : ০১-০৫-২০২৬ ১২:২৮:১৭ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০১-০৫-২০২৬ ১২:২৮:১৭ অপরাহ্ন
ইরান যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব নাকচ করল মার্কিন সিনেট
ইরান যুদ্ধে নিয়োজিত মার্কিন সেনাদের সরিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে ডেমোক্র্যাটদের আনা একটি প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে নাকচ হয়ে গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এক ভোটাভুটিতে প্রস্তাবটি বাতিল হয়ে যায়।এমন এক সময়ে এ ভোটাভুটি হলো, যার পরদিনই (আজ শুক্রবার) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষমতার ওপর একটি আইনি বাধ্যবাধকতার সময়সীমা শেষ হতে যাচ্ছে।সিনেটে প্রস্তাবটি ৪৭-৫০ ভোটে পরাজিত হয়। এ ভোটাভুটিতে রিপাবলিকান পার্টির মাত্র দুজন সদস্য—মেইন অঙ্গরাজ্যের সুসান কলিন্স ও কেনটাকির র‍্যান্ড পল দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন।গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম কোনো রিপাবলিকান সদস্য হিসেবে কলিন্স এমন প্রস্তাবে সমর্থন দিলেন। অন্যদিকে পেনসিলভানিয়ার জন ফেটারম্যান ছিলেন একমাত্র ডেমোক্র্যাট সদস্য, যিনি প্রস্তাবটির বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন।এ পদক্ষেপের ফলে আট সপ্তাহে গড়িয়ে যাওয়া ইরান যুদ্ধের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার আরও একটি সুযোগ হারাল কংগ্রেস।



১৯৭৩ সালের ‘ওয়ার পাওয়ারস রেজোল্যুশন’ অনুযায়ী, ট্রাম্পের যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আজকের ১ মে একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা। ভিয়েতনাম যুদ্ধের পর মার্কিন প্রেসিডেন্টের একতরফা যুদ্ধক্ষমতা সীমিত করতে এই আইন করা হয়েছিল।কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটে প্রস্তাবটি ৪৭-৫০ ভোটে পরাজিত হয়। ভোটাভুটিতে রিপাবলিকান পার্টির মাত্র দুজন সদস্য—মেইন অঙ্গরাজ্যের সুসান কলিন্স ও কেনটাকির র‍্যান্ড পল দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন. আইন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট যদি মার্কিন বাহিনীকে কোনো যুদ্ধে নিয়োজিত করেন, তবে ৬০ দিনের মধ্যে কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে হবে। অনুমোদন না পেলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অভিযান বন্ধ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।



তবে সেনা প্রত্যাহারের নিরাপত্তার খাতিরে প্রেসিডেন্ট চাইলে এই মেয়াদ আরও ৩০ দিন বাড়িয়ে নিতে পারেন। গত ২ মার্চ ট্রাম্প প্রশাসন কংগ্রেসকে আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানে শুরু করা মার্কিন সামরিক অভিযানের কথা জানায়। সেই হিসেবে আজ শুক্রবারই এ সময়সীমা শেষ হচ্ছে।
অনেক আইন বিশেষজ্ঞ ও পার্লামেন্ট সদস্যের মতে, শুক্রবারের পর কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া হবে ফেডারেল আইনের লঙ্ঘন। ভোটের পর এক বিবৃতিতে সুসান কলিন্স বলেন, ‘কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা অসীম নয়। সংবিধান অনুযায়ী যুদ্ধ বা শান্তির বিষয়ে কংগ্রেসের অপরিহার্য ভূমিকা রয়েছে। ৬০ দিনের এই সময়সীমা কোনো পরামর্শ নয়, এটি একটি আইনি বাধ্যবাধকতা।’



কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা অসীম নয়। সংবিধান অনুযায়ী যুদ্ধ বা শান্তির বিষয়ে কংগ্রেসের অপরিহার্য ভূমিকা রয়েছে। ৬০ দিনের এই সময়সীমা কোনো পরামর্শ নয়, এটি একটি আইনি বাধ্যবাধকতা।
সুসান কলিন্স, রিপাবলিকান সিনেটরকলিন্স আরও বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে পরবর্তী সামরিক পদক্ষেপের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও কৌশল থাকা জরুরি।সিনেটের এ ভোটাভুটি প্রমাণ করে, যুদ্ধ বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে আইনপ্রণেতারা এখনো কতটা দ্বিধাগ্রস্ত। গত দুই মাসে ডেমোক্র্যাটরা অন্তত ছয়বার ইরান যুদ্ধ বন্ধে ভোটাভুটির চেষ্টা করেছেন, কিন্তু প্রতিবারই তা ব্যর্থ হয়। বিশেষ করে রিপাবলিকানরা নিজেদের দলের প্রেসিডেন্টের নেওয়া সামরিক সিদ্ধান্তের সরাসরি বিরোধিতা করতে আগ্রহী নন। তবে সময়সীমা ঘনিয়ে আসায় ক্যাপিটল হিলের আলোচনার মোড় ঘুরতে শুরু করেছে।




অনেক আইন বিশেষজ্ঞ ও পার্লামেন্ট সদস্যের মতে, শুক্রবারের পর কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া ইরান যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া হবে ফেডারেল আইনের লঙ্ঘন।ডেমোক্র্যাটদের প্রস্তাবের বিরোধিতা করা অনেক রিপাবলিকান সদস্যও মনে করেন, ৬০ দিনের এই আইনি গুরুত্ব এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। ওকলাহোমার সিনেটর জেমস ল্যাঙ্কফোর্ড বলেন, ‘এটি একটি আইন এবং এটি মেনে চলা জরুরি।’ নর্থ ক্যারোলাইনার সিনেটর থম টিলিস পরামর্শ দিয়েছেন, সরকার যদি দীর্ঘ মেয়াদে ইরানে থাকতে চায়, তবে যেন দ্রুত কংগ্রেসের কাছে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন চায়।



এত কিছুর পরও ডেমোক্র্যাটদের আনা প্রস্তাবটিকে রিপাবলিকানরা ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে প্রত্যাখ্যান করছেন। এর পরিবর্তে তারা বিকল্প কিছু ব্যবস্থার কথা ভাবছেন, যেমন সীমিত আকারে যুদ্ধের অনুমোদন দেওয়া বা ইরানে স্থলসেনা মোতায়েনে বাধা দেওয়া। আবার কেউ কেউ মনে করছেন, সরকার চাইলে বাড়তি ৩০ দিনের সুযোগ নিয়ে ইরান যুদ্ধে অংশগ্রহণের সময় বাড়িয়ে নিতে পারে।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
 আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রশ্নে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে: মানসুরা

 আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রশ্নে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে: মানসুরা